‘সংগীত রচয়িতা রবীন্দ্রনাথ আমাদের দেশে এবং বাংলা সংগীত জগতেও স্বয়ম্ভু নন। তাঁর পূর্ববর্তী সুদীর্ঘ অধ্যাত্মিক সংগীত রচনার ধারা ভারতবর্ষে এবং বাংলা গীত-সাহিত্যের জগতে বিদ্যমান এবং রবীন্দ্রনাথ সেই ঐতিহ্যের ধারার অন্তর্গত তাঁর পূর্বগামী স্রষ্টাদের সঙ্গে তাঁর গ্রহণের
পৃষ্ঠা : 256
আসলে সব অপচয়ের শেষেও কিছু আত্মসমর্পণ কখনও বাকি থেকে যায়। জীবনের এইসব হারানো-প্রাপ্তি নিরুদ্দেশ নিয়েই কবির খাতার পাতায় শব্দরা বাসা খোঁজে। কবি লেখেন— ‘ভয় ভাঙে ঘাসবনের গভীরে
কাঠামো গঠনের উপাদান এবং খুব সূক্ষ্ম গোপন কারুকার্য সবই যৌবন বয়সে আয়ত্ব করা উচিত। আমরা লেখকরা তোতাপাখির মতো বৃদ্ধবয়সে কথা বলতে শিখি না’। আর বলা শেষ হলে আর কোনো আগ্রহ থাকে না। হেমিংওয়ে যেমন বলতেন-মৃত সিংহ।’ মার্কেসের সেই কথার টানেই মুগ্ধ পাঠকহৃদয়
তার আগে যেন গান গেয়েছিলেন—'আকাশ আমায় ভরল আলোয়
স্বাগত মায়াবী বিষাদ নারায়ণ কর্মকার ‘সংগীত রচয়িতা রবীন্দ্রনাথ আমাদের দেশেSwagata Mayabi Bisad : : 64 , , , , , , , , , , , , , , (cm) : 14. 4 (l) X 22 (b) X 1. 1 (h)